Saturday, December 5, 2015


এবাকাস ডিজিটাল কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামপুর সিলেট এর সকল কৃতী শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, আগামী  27/12/2015 ইংরেজী তারিখ সকাল 10.30 ঘটিকায়  এ.ডি.সি ক্যাম্পাসে সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, উক্ত অনুষ্ঠানে যুব উন্নয়ন বোর্ডের সম্মানিত প্রধান পরিচালক জনাব শাহাদাত হোসাইন মির্জা সহ অন্যান্য ট্রেইনার মহুদয়গণের উপস্থিতে সনদ প্রদান করা হবে।
যথা সময়ে আগামী  27/12/2015 ইংরেজী তারিখ সকাল 10.30 ঘটিকায় এ.ডি.সি ক্যাম্পাসে সবাইকে নির্ধারিত ব্যাচ নং, রেজিঃ নং স্ব-হস্তে লিখিত বা কম্পিউটার টাইপকৃত টোকেন সংগ্রহে রাখিতে হইবে।
যেকোন ব্যাপারে যোগাযোগ ঃ 01758 255662 / 01711 983408 / 0821 761458 ।

Friday, May 29, 2015

অনেক দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে কাল !!! এসএসসি (মাধ্যমিক) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ২০১৫ আগামী শনিবার (৩০ মে) প্রকাশিত হবে। প্রায় ১৫ লাখ পরীক্ষার্থী ফলাফল প্রকশিত হবে। আশা করি সকল বন্ধুদের ফলাফল ভালো হবে। শুভ কামনা সকলের জন্য । এ.ডি.সিপ্রতি বছরের ন্যয় এবার ও এ.ডি.সি কর্তৃপক্ষ এস.এস.সি এর ফলাফল প্রকাশ ও প্রিন্টআউট করে শিক্ষার্থীগণের নিকট (বিনামূল্যে) বিতরণ করবে এবং বিগত বছরের ন্যয় এবারের এস.এস.সি কৃতী শিক্ষার্থীগণকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করবে। উল্ল্যখ্য যে, বাংলাদেশে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ফল প্রকাশের সাথে সাথেই একটি বিপর্যয় শুরু হয়ে যায়। তবে সেটি কিন্তু ফলাফল বিপর্যয় নয়, সেটি হচ্ছে ওয়েবসাইট বিপর্যয়। ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলেও বেশিরভাগ মানুষই ওয়েবসাইট থেকে রেজাল্ট দেখতে পারে না। মনে হয় ওয়েবসাইটটি যেন হ্যাং হয়ে আছে। এই সমস্যা হওয়ার কারণ হচ্ছে ওয়েবসাইটের আর্কিটেকচার। সাধারণত ওয়েবসাইটগুলো বানানো হয় এভাবে : সবার পরীক্ষার ফলাফল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। ওয়েবসাইটে কোনো ফর্ম সাবমিট করা হলে (যেমন বোর্ড এবং রোল নাম্বার সিলেক্ট করে সাবমিট করলে) সেই রিকোয়েস্ট সার্ভারের কাছে যায়। সার্ভার তখন ডাটাবেজে কুয়েরি করে রেজাল্ট আনে নিজের কাছে। তারপর সেটা প্রসেসিং করে পাঠিয়ে দেয়। তখন ব্যবহারকারি ওয়েবসাইটে পরীক্ষার ফল দেখতে পারে। Simple Web Application Architecture এখানে দুটো জিনিস লক্ষ করতে হবে। ওয়েবসাইট থেকে রিকোয়েস্ট প্রথমে যখন সার্ভারের কাছে যায়, সেখানে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার (যেমন : এপাচি কিংবা ইঞ্জিন-এক্স) সেটি হ্যান্ডেল করে। সেই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সার্ভারের রিকোয়েস্ট হ্যান্ডেল করার একটি ক্যাপাসিটি থাকে, যেই ক্যাপাসিটির বেশি রিকোয়েস্ট সে হ্যান্ডেল করতে পারে না। দ্বিতীয়ত হচ্ছে ডাটাবেজ সার্ভার (যেমন : মাইএসকিউএল, পোস্টজিআরই এসকিউল, ওরাকল)। সেটিরও রিকোয়েস্ট বা কানেকশন হ্যান্ডেল করার একটা সীমা থাকে। একই সাথে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক কানেকশনের বেশি সে হ্যান্ডেল করতে পারে না। তাই ফলাফল প্রকাশের পর যখন লাখ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক ওয়েবসাইটে ফল দেখার চেষ্টা করতে থাকে, সার্ভারের ওপর তৈরি হয় প্রচন্ড চাপ, যেই চাপ সে সামলাতে পারে না এবং ওয়েবসাইটি থেকে আর ফলাফল দেখা সম্ভব হয় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী? উপায় হচ্ছে ডিসট্রিবিউটেড কম্পিউটিং (distributed computing), যা ক্লাউড কম্পিউটিং (cloud computing) ব্যবহার করে সহজে করা যায়। আগামী পর্বে লিখব ২০১১-২০১২ সালের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের ওয়েবসাইটের জন্য ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের অভিজ্ঞতার কথা।

'বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মেধা বিশ্বমানের। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রমাণও দিচ্ছে বাংলাদেশের মেধাবীরা।

'বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মেধা বিশ্বমানের। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রমাণও দিচ্ছে বাংলাদেশের মেধাবীরা। প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্ব আসরে আমাদের শিক্ষার্থীরাও যাতে নিয়মিত ভালো করতে পারে সে চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি প্রোগ্রামিংয়ের আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ভালো করতে পারে সে বিষয়ে আলাদা নজর দেয়া হবে।’ শুক্রবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অনুষ্ঠিত 'জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা'র চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (অাইসিটি) বিভভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। পলক অারও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অামরা রফতানিও শুরু করেছি। ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা এই খাতে ১ বিলিয়ন ডলারের রফতানির লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর-সহ দেশে ১৩টি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এগুলোতে ৭০ হাজার প্রযুক্তিবিদ প্রয়োজন হবে। তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এসব প্রযুক্তিবিদ বেরিয়ে অাসবে বলে তিনি অাশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি অারও বলেন, দেশের ১২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের ৬৪টি জেলায় তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাব গড়ে তোলা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্লাবের দায়িত্বে থাকবেন এ খাতে অভিজ্ঞ শিক্ষকরা। জেলার ক্লাবগুলোতে আমরা দু'জন করে প্রশিক্ষিত মডারেটর নিয়োগ করব।

বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য।

বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য। অনেকেই এটা ইউজ করেন বায়োস সেটিং রোধে বা বুটিং রোধে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তাই বিরক্তির কারন হতে পারে যদি আপনি পাশওয়ার্ড ভুলে যান বা কেউ উদ্দেশ্য প্রনীতভাবে এটা পরিবর্তন করে ফেলে। কিন্তু ত্যাতে ভয় পাবার কোন কারন নেই। বায়োস পাশওয়ার্ড ভাঙ্গা গড়া নিয়ে গত পোষ্টে আলোচনা করেছিলাম। আরো যে উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ * CMOS খুলে * মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে * MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে * সফটওয়ার ব্যবহার করে * ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে। ১. CMOS ব্যটারিঃ সিমোস ব্যাটারি ইউজ করে কিভাবে বায়োস এর পাশওয়ার্ড বাইপাস করবেন তা জানতে এ.ডি.সি হার্ডওয়ার ট্রেনিং শিট পড়ুন। ২. মাদারবোর্ডের Jumper ব্যবহার করেঃ কম বেশি সব মাদারবোর্ড এরই জাম্পার আছে যা সিমসের সব সেটিংস ক্লিয়ার করতে পারে বায়োস পাশওয়ার্ড সহ। মাদারবোর্ডের ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে এই জাম্পারের অবস্থান নির্ভর করে। মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল পড়ে আপনি এটা জানতে পারেন বা নেটে সার্চ দিয়ে। আর ম্যানুয়াল না থাকলে আপনি ফিজিকালি দেখেতে পারেন সিমোস ব্যাটারির আশে পাশে। অধিকাংশ ম্যানুফেকচারার এরই CLR, CLEAR, CLEAR CMOS, ইত্যাদি দ্বারা লেভেল করে থাকে। জাম্পার খুজে পেলে সাবধানে এবং ভাল ভাবে খেয়াল করে দেখুন জাম্পারটি ৩ পিন বিশিষ্ট একটা সেটের মাঝের পিনের সাথে অন্য ডানের বা বামের পিনের সাথে কানেক্ট করা। আপনাকে যা করতে হবে জাম্পারটি খুলে নিয়ে ঠিক মাঝের পিনের সাথে বিপরীত পিন কানেক্ট করিয়ে দিন।যেমন ১ ২ ৩ টি পিন হয়, এবং প্রথমে যদি ১ ২ কানেক্টেড থাকে পরে খুলে আপনাকে ২ ৩ কানেক্ট করিয়ে দিতে হবে। এখন কিচুক্ষন(মিনিট খানেক) অপেক্ষা করুন। তারপর আবার আগের মত লাগিয়ে দিন। তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন যে পিসি খোলার পুর্বে এবং জাম্পার পরিবর্তনের সময় যেন পিসির পাওয়ায় সাপ্লাই ইউনিট বন্ধথাকে। ৩. MS DOS কমান্ড ব্যবাহার করেঃ এই পদ্ধতি কাজ করবে তখনই যখন আপনার সিষ্টেম চালু থাকবে, কারন এটা কাজ করতে হয় MS DOS এ। কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন ষ্টার্ট করুন START>>RUN>>cmd>>Enter। তারপর একে একে নিচের কমান্ড গুলো দিন। debug o 70 2E o 71 FF quit লক্ষ্য করুনঃ এখানে প্রথম লেটারটি ইংরেজি o কেউ ভুলেও এটাকে অংক 0 মানে শূন্য মনে করবেন না। উপরের কমান্ড গুলো দেবার পরে আপনার সিষ্টেম রিষ্টার্ট দিন। কাওরন এই কমান্ডগুলো আপনার সিমোস সেটিং রেসেট করে দিবে সাথে সাথে পাশওয়ার্ড ও। আপনি যদি জানতে চান কিভাবে এটা কাজ করছে তাহলে শুনুন। এই পদ্ধতিতে আমরা MS DOS এর ডিবাগ টুলস ইউজ করি। o ক্যরেক্টারটি কমান্ডগুলোর প্রথমে বসে IO পোর্টের আউটপুট ভেলু বুঝায়। ৭০ ও ৭১ বুঝায় পোর্ট নাম্বার যা সিমোস মেমরিতে প্রবেশে ব্যবহৃত হয়। FF দ্বারা আমরা সিমোসকে বলি যে অখানে ইনভেলিড চেকসাম আছে, আর এই কমান্ডের সাথে এটাকে রেসেত করে যা বায়স পাশওয়ার্ডকেও রেসেট করে। ভালোভাবে বুঝতে হলে এ.ডি.সি প্রাক্টিকেল ক্লাশে এবং তা জানতে এ.ডি.সি হার্ডওয়ার ট্রেনিং শিট পড়ুন। ৪. সফটওয়ার ব্যবহার করেঃ অনেক সফটওয়ার আছে যেগুলো সিমোসের সেটিংস বা পাশওয়ার্ড অথবা দুইটাই করতে পারে মুহুর্তের মধ্যেই। কিন্তু ঐ যে উপরে উল্লেখ করেছি, এটা করতে হলে আপনাকে পিসির এদমিন একাউন্টে ঢুকে থাকতে হবে যেখান থেকে এটা উইন্ডোজের ডসে কাজ করবে। CmosPwd ৫. ব্যাকডোর বায়োস পাশওয়ার্ড দিয়েঃ অনেক মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানি একটা পাশওয়ার্ড দিয়ে রাখে যা মাষ্টার পাশওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। এই মাষ্টার পাশওয়ার্ড শুধু মাত্র টেষ্ট ও ট্রাবলশুট করার জন্য তৈরী করা হয়। চলুন নিচে থেকে জেনে নিই বেশ কিছু কোম্পানির পাশওয়ার্ড। AMI এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ A.M.I. AAAMMMIII AMI?SW AMI_SW AMI BIOS CONDO HEWITT RAND LKWPETER MI Oder PASSWORD AWARD এর বায়োস পাশওয়ার্ড 01322222 589589 589721 595595 598598 ALFAROME ALLy aLLy aLLY ALLY aPAf _award award AWARD_SW AWARD?SW AWARD SW AWARD PW AWKWARD awkward BIOSTAR CONCAT CONDO Condo d8on djonet HLT J64 J256 J262 j332 j322 KDD Lkwpeter LKWPETER PINT pint SER SKY_FOX SYXZ syxz shift + syxz TTPTHA ZAAADA ZBAAACA ZJAAADC PHOENIX এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ BIOS CMOS phoenix PHOENIX Misc এর কমন পাশওয়ার্ডঃ ALFAROME BIOSTAR biostar biosstar CMOS cmos LKWPETER lkwpeter setup SETUP Syxz Wodj ভালোভাবে বুঝতে হলে এ.ডি.সি প্রাক্টিকেল ক্লাশে এবং তা জানতে এ.ডি.সি হার্ডওয়ার ট্রেনিং শিট পড়ুন। অন্যান্য ম্যানুফেকচারারের BIOS পাশওয়ার্ডঃ Biostar – Biostar Compaq – Compaq Dell – Dell Enox – xo11nE Epox – central Freetech – Posterie IWill – iwill Jetway – spooml Packard Bell – bell9 QDI – QDI Siemens – SKY_FOX TMC – BIGO Toshiba – Toshiba VOBIS & IBM – merlin

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছেফ্রিল্যান্সিং।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছেফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার। গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। ইন্টারনেটের কল্যানে এখন আপনি খুব সহজেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন। এখানে একদিকে যেরকম রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে বিভিন্নধরনের কাজ বাছাই করার স্বাধীনতা। আয়ের দিক থেকেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এ রয়েছে অভাবনীয় সম্ভাবনা। এখানে প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ আসছে। প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবসাইট, গেম, 3D এনিমেশন, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, সফ্টওয়্যার বাগ টেস্টিং, ডাটা এন্ট্রি - এর যেকোন এক বা একাধিক ক্ষেত্রে আপনি সফলভাবে নিজেকে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তৈরি করে নিতে পারেন। তবে প্রথমদিকে আপনাকে একটু ধ্যর্য এবং কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। এই প্রতিবেদনটি তাই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে সফলভাবে প্রকাশ করতে পারেন। ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশনের মাধ্যমে আপনি শুরু করতে পারেন। এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer বা Client এবং যারা এই কাজগুলো সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider বা Coder. একটি কাজের জন্য অসংখ্য কোডাররা Bid বা আবেদন করে এবং ওই কাজটি কত টাকায় সম্পন্ন করতে পারবে তা উল্লেখ করে। এদের মধ্য থেকে ক্লায়েন্ট যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচন করতে পারে। সাধারণত পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা, টাকার পরিমাণ এবং বিড করার সময় কোডারের মন্তব্য কোডার নির্বাচন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোডার নির্বাচন করার পর ক্লায়েন্ট কাজের সম্পূর্ণ টাকা ওই সাইটগুলোতে জমা করে দেয়। এর মাধ্যমে কাজ শেষ হবার পর সাথে সাথে টাকা পাবার নিশ্চয়তা থাকে। পুরো সার্ভিসের জন্য কোডারকে কাজের একটা নির্দিষ্ট অংশ ওই সাইটকে ফি বা কমিশন হিসেবে দিতে হয়। এই পরিমাণ ওয়েবসাইট এবং সার্ভিসভেদে ভিন্ন ভিন্ন (১০% থেকে ১৫%)। কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট হচ্ছে: www.RentACoder.com রেন্ট-এ-কোডার এ প্রায় দুই লক্ষ কোডার রেজিস্ট্রেশন করেছে। এই সাইটে প্রতিদিনই প্রায় ২৫০০ এর উপর কাজ পাওয়া যায়। সাইটের সার্ভিস চার্জ বা কমিশন হচ্ছে প্রতিটি কাজের মোট টাকার ১৫% যা কাজ সম্পন্ন হবার পর কোডারকে পরিশোধ করতে হয়। এই প্রতিবেদনটি মূলত রেন্ট-এ-কোডার সাইটকে ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। তবে মূল ধারনা প্রতিটি সাইটের ক্ষেত্রেই প্রায় একই। www.GetAFreelancer.com এই সাইটে মোট কোডার বা প্রোভাইডারের সংখ্যা হচ্ছে প্রায় সাত লক্ষ। এই সাইটেও প্রায় ২৫০০ এর উপর কাজ প্রতিদিন পাওয়া যায়। সাইটির সার্ভিস চার্জ হচ্ছে প্রতিটি কাজের মোট টাকার ১০%। তবে গোল্ড মেম্বারদের জন্য কোন সার্ভিস চার্জ নেই। গোল্ড মেম্বার হতে প্রতি মাসে আপনাকে মাত্র ১২ ডলার পরিশোধ করতে হবে। নতুন ইউজারদের জন্য এই সাইটে ট্রায়াল প্রোজেক্ট নামে একটি বিশেষ ধরনের কাজ পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র নতুন কোডারাই বিড করতে পারবে। ফলে প্রথম কাজ পেতে আপনাকে খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। www.Joomlancers.com এই সাইটে শুধুমাত্র Joomla এর কাজ পাওয়া যায়। Joomla হচ্ছে একটি ওপেনসোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যারা Joomla তে পারদর্শী তারা এই সাইটে বিড করে দেখতে পারেন। এখানে প্রায় ৫৫০০ ফ্রিল্যান্সার রেজিস্ট্রেশন করেছে আর প্রতিদিন প্রায় ১৫০ টি কাজ পাওয়া যায়। এই সাইটে কমিশন হিসেবে প্রতিটি কাজের ১০% টাকা কোডারকে পরিশোধ করতে হবে। এই সাইটেও আপনি গোল্ড মেম্বার হতে পারবেন। গোল্ড মেম্বার হতে হলে আপনাকে প্রতি মাসে ৫০ ডলার প্রদান করতে হবে। www.oDesk.com এক সাইটের ফিচার উপরে উল্লেখিত সাইটগুলো থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে প্রোভাইডারকে ঘন্টা হিসেবে কাজের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়। ক্লায়েন্ট আপনাকে সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস এর জন্য) নিয়োগ করতে পারে। রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রতি ঘন্টায় আপনার কাজের মূল্য উল্লেখ করে দিতে হবে। কাজ শেষে আপনি যত ঘন্টা কাজ করেছেন ঠিক ততটুকু পরিমাণ টাকা ক্লায়েন্ট আপনাকে প্রদান করবে। কাজ করার মূহুর্তে আপনার ব্যয়কৃত সময় নির্ধারণ করার জন্য আপনাকে একটি সফ্টওয়্যার চালু রাখতে হবে, যা একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর আপনার ডেস্কটপের স্ক্রিসশট এবং অন্যান্য তথ্য ক্লায়েন্টের কাছে পাঠাবে। ফলে ওই সময় আপনি কাজ করছেন কিনা ক্লায়েন্ট সহজেই নির্ধারণ করতে পারবে। তবে অন্য সাইটগুলোর মত এখানেও অনেক কাজ পাওয়া যায় যেখানে সম্পূর্ণ প্রজেক্টের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়। এই সাইটে প্রতি কাজের জন্য ১০% টাকা কমিশন হিসেবে প্রদান করতে হয়। যেহেতু বেশিরভাগ কাজ ঘন্টা হিসেবে প্রদান করা হয় তাই অন্য সাইটগুলোর তুলনায় এই সাইট থেকে অনেক বেশি পরিমাণে আয় করা সম্ভব।